বাংলাদেশের সকল বিষধর ও নির্বিষ সাপের বিস্তারিত তথ্য, ছবি, এবং শনাক্তকরণ নির্দেশিকা।
King Cobra
পৃথিবীর দীর্ঘতম বিষধর সাপ। এটি অন্য সাপ খেয়ে থাকে (Ophiophagus = সাপ-ভক্ষক)। বাংলাদেশে স্থলের সবচেয়ে বিষধর ও লম্বা সাপ।
Spectacled Cobra
ফণায় চশমার মতো দাগ থাকে বলে এই নাম। ভারতীয় উপমহাদেশের সবচেয়ে পরিচিত বিষধর সাপ।
Monocled Cobra
ফণায় একটি গোল দাগ (মনোকল/পদ্ম চিহ্ন) থাকে। বাংলাদেশে সাপে কামড়ের সবচেয়ে বেশি ঘটনা এই সাপের কারণে ঘটে।
Common Krait
এদের দংশনে কোনো ব্যথা বা ফোলা থাকে না, তাই একে 'Silent Killer' বলা হয়।
Banded Krait
কালো ও হলুদ ডোরাকাটা সুন্দর কিন্তু অত্যন্ত বিষাক্ত সাপ।
Russell's Viper
এদের বিষে রক্ত জমাট বাঁধে না এবং টিস্যু পচে যায়।
Green Pit Viper
সুন্দর সবুজ রঙের গাছে বাসকারী সাপ।
Red-Necked Keelback
এটি আগে নির্বিষ ভাবা হতো, কিন্তু এখন প্রমাণিত যে এটি বিষাক্ত।
Ornate Flying Snake
এরা বাতাস ব্যবহার করে এক গাছ থেকে অন্য গাছে গ্লাইড করতে পারে।
Vine Snake
দেখতে লাউ গাছের ডগার মতো সবুজ ও সরু।
Common Cat Snake
নিশাচর সাপ। চোখের মণি বিড়ালের মতো খাড়া বলে এই নাম।
Burmese Python
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সাপ। শিকারকে পেঁচিয়ে মারে।
Checkered Keelback
পুকুর বা জলাশয়ে বেশি দেখা যায়। মাছ খায়।
Rat Snake
খুব দ্রুত ছুটতে পারে। কৃষকের বন্ধু বলা হয় কারণ এরা ইঁদুর খায়।
Painted Bronzeback
পিঠে তামার মতো রঙ থাকে। সরু, লম্বা গাছে বাসকারী সাপ।
Buff Striped Keelback
ছোট ও শান্ত প্রকৃতির সাপ। শরীরে হলুদ ডোরা থাকে।
Copper-headed Trinket Snake
মাথা তামাটে রঙের। সুন্দর এবং নির্বিষ সাপ।
Common Wolf Snake
ঘরের ভেতরে প্রায়ই দেখা যায়। টিকটিকি খায়।
Red Sand Boa
লেজ মাথার মতো দেখায় বলে এই নাম। আসলে একটাই মাথা।
Common Kukri Snake
দাঁত কুকরি ছুরির মতো বাঁকানো বলে এই নাম।
Brahminy Blind Snake
কেঁচোর মতো দেখতে ছোট সাপ। চোখ প্রায় নেই।
Inland Taipan
পৃথিবীর সবচেয়ে বিষাক্ত স্থলজ সাপ। এক কামড়ে ১০০ জন মানুষ মারা যেতে পারে।
Black Mamba
আফ্রিকার সবচেয়ে ভয়ংকর সাপ। পৃথিবীর দ্রুততম সাপ।
Saw-Scaled Viper
পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি মানুষ মারার জন্য দায়ী সাপ।
Belcher's Sea Snake
পৃথিবীর সবচেয়ে বিষাক্ত সামুদ্রিক সাপ।
Green Anaconda
পৃথিবীর সবচেয়ে ভারী সাপ। ওজনে ২৫০ কেজি পর্যন্ত হতে পারে।
Reticulated Python
পৃথিবীর সবচেয়ে লম্বা সাপ। ১০ মিটার পর্যন্ত লম্বা হতে পারে।
Titanoboa
পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সাপ। ৬০ মিলিয়ন বছর আগে বিলুপ্ত।
Dragon Snake
চামড়ায় ড্রাগনের মতো খাঁজ আছে বলে এই নাম।
Spider-Tailed Horned Viper
লেজ মাকড়সার মতো দেখায়। পাখি আকৃষ্ট করতে ব্যবহার করে।
Tentacled Snake
নাকে দুটো শিং আছে বলে এই নাম। একমাত্র সাপ যার এই বৈশিষ্ট্য।
Wall's krait
দক্ষিন এশিয়ার অন্যতম বিষধর সাপ Wall's Krait (Bungarus walli) আঞ্চলিক ভাবে এরা ভীমরাজ, কালাশ, কালি দাঁড়াশ,তে-শিরা ইত্যাদি নামে পরিচিত। পূর্বে এটিকে সিন্ধু কালাচ বা Sind Krait এর উপপ্রজাতি মনে করা হলেও, বর্তমানে এটা আলাদা প্রজাতি হিসেবে স্বীকৃত।
Lesser black krait
বিষের ধরনঃ প্রাণঘাতী বিষধর, এদের বিষ মূলত Neurotoxin এবং এতে কিছুটা Mycotoxin এর উপস্থিতিও রয়েছে। Bungarus গণের সাপের বিষকে একত্রে Bungarotoxin বলা হয়। এ সাপের সাথে Greater black krait সাপ এর অনেক মিল।
Greater black krait
বিষের ধরন: নিউরোটক্সিন(নার্ভ বিষ)।
Pope's pit viper
Viperidae পরিবারের দেশের সবচেয়ে বিরল প্রজাতির সাপ 'পপের লাল ফিতে সবুজ বোড়া'। পিট ভাইপার প্রজাতির এই সাপটির বিস্তার ভারত, বাংলাদেশ, নেপালসহ সাউথ-ইস্ট এশিয়ার দেশসমূহ। Pit Viper হেমোটক্সিন (Hemotoxin) সমৃদ্ধ বিষধর সাপ। হেমোটক্সিন রক্তের লোহিত রক্তকণিকা নষ্ট করে।
Mountain Pit Viper
৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ইং বান্দরবানে ক্রেওকাডং এ বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো পাহাড়িবোড়া (Mountain Pitviper, Ovophis monticola) এর অস্তিত্ব নিশ্চিত হওয়া গেছে। যদিও বাংলাদেশে এর উপস্থিতি নিয়ে অনেক আগে থেকেও অনেক ধোঁয়াশা ছিলো।
MacClelland's coral snake
বিষের ধরনঃ- Neurotoxin.এর প্রভাবে নার্ভ ড্যামেজ হয়ে যায়। খাদ্য তালিকাঃ- ছোট সরীসৃপ, গিরগিটি,সাপ। বাসস্থান ও অঞ্চলঃ- বাংলাদেশ,ভারত,ভুটান,মায়ানমার, থাইল্যান্ড,ভিয়েতনাম,তাইওয়ান এইসব দেশে পাওয়া যায়।
Gore's Coral Snake
আগে এটিকে MacClelland's Coral Snake এর একটি সাবস্পিসিজ হিসেবে মনে করা হলেও সর্বশেষ গবেষণায় এটি নতুন প্রজাতি হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। এটি উত্তর-পূর্ব ভারত এবং বাংলাদেশে পাওয়া যায়।
Heller's Red-necked keelback
আঞ্চলিক নাম:- হরিণ জৌরো আবাসস্থল/প্রাপ্তিস্থান:-বাংলাদেরশে চট্টগ্রাম, সিলেট,খাগড়াছড়ি, মৌলভীবাজার বান্দরবান, রাঙামাটি, নেত্রকোনা, ফেঞ্চুগঞ্জ এ পাওয়া যায়।এছাড়াও ইন্ডিয়া,ইন্দোনেশিয়া,থাইল্যান্ড, মায়ানমার, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ভুটান, নেপাল, চীন, লাওস, শবে কম্বোডিয়া এসব দেশে।
Bindee Keelback
'বিন্দি' নাম দেওয়া হয়েছে এর ঘাড়ের লাল দাগের কারণে, নারীদের কপালে পরা লাল টিপ / বিন্দির মতো দেখতে। এদের প্রধান খাদ্য ব্যাঙ, টিকটিকি, এ জাতীয় ছোট প্রাণী।
Slender Coral Snake
বিষের ধরনঃ- নিউরোটক্সিন। এর প্রভাবে নার্ভ ড্যামেজ হয়ে যায়। খাদ্য তালিকাঃ- পুঁয়ে সাপ,উইঁপোকা, পোকার ডিম,অন্যান্য ছোট সরীসৃপ। বাসস্থান ও অঞ্চলঃ- বাংলাদেশ,ভারত, শ্রীলংকায় দেখা যায়।
Green Cat snake
আবাসস্থল; এদের সাধারণত বাংলাদেশ, ভারত (আসাম, অরুণাচল,সিকিম,দার্জিলিং, পশ্চিমবঙ্গ, আন্দামান & নিকোবার দ্বীপপুঞ্জ), কলম্বিয়া, ভুটান, মায়ানমার, নেপাল, থাইল্যান্ড এবং ভিয়েতনামে এদের পাওয়া যায়। এরা সাধারণত বৃক্ষবাসী কিন্ত কখনো কখনো খাবারের খোঁজে ভূমিতে নেমে আসে।
Dog-toothed cat snake
এটি Bangle Cat Snake বা বঙ্গীয় ফণিমনসা নামেও পরিচিত।
Tawny Cat Snake
বিষের ধরন: Mildly venomous (মৃদু বিষধর) খাদ্য: গিরগিটি, ব্যাঙ, গেছো ইঁদুর, কাঠবিড়ালি, পাখি এমনকি অন্য সাপও শিকার করে থাকে।
Eastern Cat Snake
বিষের ধরন- মৃদু বিষধর (মানুষের জন্য ক্ষতিকর নয়) খাদ্যতালিকা- ব্যাঙ, গিরগিটি,ইঁদুর ইত্যাদি।
Eyed Cat Snake
বিষের ধরন-মৃদু বিষধর (মানুষের জন্য ক্ষতিকর নয়) খাদ্যতালিকা-ব্যাঙ, গিরগিটি,ইঁদুর ইত্যাদি।
Marbled Cat Snake
Dog-faced water snake
প্রচলিত নামঃ- অঞ্চলভেদে কুকুরমুখো নোনা বোরা,জলবোরা ইত্যাদি নামে ডাকা হয় । বিষের ধরনঃ- মৃদু বিষধর, ( নিউরোটক্সিন)। খাদ্য তালিকাঃ- কুঁচে মাছ, ছোট মাছ,ব্যাঙ,কাঁকড়া,চিংড়ি ও শামুক এদের প্রধান খাবার।
Smooth Scaled water snake
প্রচলিত নাম- মেটে, মাইট্যা, পাইন্যা, পানি সাপ, মেটুলি, মেটেলি বিষের ধরন: মৃদু বিষধর খাদ্য তালিকা- প্রধানত মাছ খেয়ে থাকে। এছাড়াও ব্যাঙ এবং ছোট স্তন্যপায়ী প্রাণীও খায়। অঞ্চল- সারাদেশে পুকুর, খাল-বিল, নদী, ধানখেত প্রভৃতি মিঠা পানির জলাশয়ে একে দেখতে পাওয়া যায়।
Puff-faced water snake
মুখোশপরা পানি সাপ বা Masked water snake নিশাচর ও মৃদুবিষধর সাপ।
Siebold's water snake
প্রচলিত নামঃ- সারা দেশে পাওয়া যায়না বললেই চলে, তাই প্রচলিত নামেরও প্রচলন নেই। বিষের ধরনঃ- মৃদু বিষধর, মানুষের জন্য একদমই ক্ষতিকর নয়। খাদ্য তালিকাঃ- প্রধানত মাছ খেয়ে থাকে। এছাড়াও ব্যাঙ এবং ছোট স্তন্যপায়ী প্রাণীও খায়।
Variable Colored vine snake
প্রচলিত নামঃ- লাউডগা, সুতানালী, জিংলাপোড়া, বাঁশপাতালি, উড়ুক্কু সাপ, পঙখীরাজ সাপ । বিষের ধরনঃ- মৃদু বিষধর (হিমোটক্সিন)। খাদ্য তালিকাঃ- সাধারণত লিজার্ড, ব্যাঙ, ইঁদুর, ছোট পাখি খেয়ে থাকে। বাসস্থান ও অঞ্চলঃ- দেশের পশ্চিম, দক্ষিণ-পশ্চিম এবং উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে দেখতে পাওয়া যায়।
Yellow Whip Snake
প্রচলিত নামঃ- লাউডগা, সুতানালী, জিংলাপোড়া, বাঁশপাতালি, উড়ুক্কু সাপ, পঙখীরাজ সাপ। বিষের ধরনঃ- মৃদু বিষধর (হিমোটক্সিন)। খাদ্য তালিকাঃ- সাধারণত লিজার্ড, ব্যাঙ, ইঁদুর, পাখি খেয়ে থাকে। বাসস্থান ও অঞ্চলঃ- সারাদেশেই কমবেশি দেখতে পাওয়া যায়। এরা সাধারণত গাছ, ঝোপঝাড়, বাঁশঝাড়ে বসবাস করে।
Glossy marsh snake
আমাদের দেশের উপকূলীয় অঞ্চলের বেশ দূর্লভ সাপ। লোনাপানিতে উপকূলীয় অঞ্চল, সুন্দরবন সহ সামুদ্রিক মোহনা অঞ্চলে বসবাস করে। প্রধাণত সুন্দরবনে দেখতে পাওয়া যায়।
Common mock viper
প্রচলিত নাম: পাহাড়ি সাপ, নকল বোড়া সাপ। এরা সিলেট ও চট্টগ্রামের মিশ্রচিরসবুজ বনের বাসিন্দা। এদের প্রধান খাদ্য ব্যাঙ, অঞ্জন, ছোট সাপ,টিকটিকি ইত্যাদি।
Crab-eating Water Snake
বাংলাদেশের অন্যতম বিরল প্রজাতির সাপ।
Indian Egg-eater
বাংলাদেশের অন্যতম বিরল প্রজাতির সাপ। নির্বিষ সাপ,এমন কি দাঁতহীন সাপ। এরা কামড়াতে পারে না। শুধু মাত্র ডিম খেয়ে বেচে থাকে।
Indochinese Rat Snake
বিষের ধরন : সম্পুর্ন নির্বিষ (Non Venomous) খাদ্য তালিকা : ইন্দোচীনা দাঁড়াশ একটি Diurnal Snake অর্থাৎ এরা দিনে চলাচল অথবা শিকার করে । এদের প্রধান খাদ্য মূলত ইদুর তবে ইদুর ছাড়াও এরা ব্যাঙ, টিকটিকি , লিজার্ড সহ বিভিন্ন পোকা মাকড় খেয়ে থাকে ।
Green Rat Snake
সম্পূর্ণ নির্বিষ সবুজ দাঁড়াশ অন্যতম বিরল ও সুন্দর একটি সাপ।
Twin Spotted Wolf Snake
প্রচলিত নাম- চিতিবোড়া, চালচিতি, চালবোড়া ইত্যাদি। বিষের ধরন: নির্বিষ। Twin Spotted Wolf Snake / Yellow speckled wolf snake সারাদেশেই কমবেশি দেখতে পাওয়া যায়। খাদ্য তালিকা- প্রধান খাদ্য টিকটিকি। এছাড়া ছোট ব্যাঙ এবং আঁচিলা খেয়ে থাকে।
Zaw's Wolf Snake
প্রচলিত নাম- ঘরমনি, ঘরমোহিনী, চালচিতি ইত্যাদি। Zaw's Wolf Snake বনাঞ্চলগুলোতে দেখতে পাওয়া যায়। খাদ্য তালিকা- প্রধান খাদ্য টিকটিকি। এছাড়া ছোট ব্যাঙ এবং আঁচিলা খেয়ে থাকে। এরা পাইথনের মত চেপে ধরে শিকারকে হত্যা করে শিকার করে।
Common Bronzeback Tree Snake
সম্পূর্ণ নির্বিষ বেত আঁচড়া দক্ষিণ এশিয়ার একটি কমন সাপ। বাংলাদেশের সর্বত্র একে দেখতে পাওয়া যায়৷ অঞ্চলভেদে একে বেত আঁচড়া, জিংলাপোড়া, বাঁশপাতালি, বাঁশুয়া সাপ, খড়কি সাপ, উড়ুক্কু সাপ, সুতানাল, সুতানলি সাপ, ফড়িঙে সাপ নামে ডাকা হয়।
Eastern Bronzeback Tree Snake
বিষের ধরন: সম্পূর্ণ নির্বিষ প্রচলিত নাম: অঞ্চলভেদে সুতানলি সাপ, বাঁশপাতালি, কঞ্চিয়া, জিংলাপোড়া, বাঁশুয়া সাপ, খড়কি সাপ, উড়ুক্কু সাপ, ফড়িঙে সাপ, পাতালত, উয়ো সাপ, উড়কাবাহা ইত্যাদি নামে ডাকা হয়।
Wall's Bronzeback Tree Snake
এর অপর ইংরেজী নাম হচ্ছে Green Bronzeback Tree Snake. এটি বাংলাদেশের অন্যতম দূর্লভ সাপেদের একটি। এরা অঞ্চলভেদে সুতানলি সাপ, বাঁশপাতালি, কঞ্চিয়া, জিংলাপোড়া ইত্যাদি নামে পরিচিত।
Common Trinket Snake
প্রচলিত নামঃ-পঙ্ক্ষিরাজ, দুধরাজ,পাতি দুধরাজ ইত্যাদি। খাদ্য তালিকাঃ- প্রধান খাদ্য ইঁদুর ,এছাড়াও ব্যাঙ, অন্যান্য ছোট স্তন্যপায়ী প্রাণী, পোকামাকড়, গিরগিটি এবং টিকটিকি খায়। অঞ্চলঃ- বাংলাদেশের সব অঞ্চলেই এদের কম বেশী পাওয়া যায়,উত্তরাঞ্চলে বেশি পাওয়া যায়।
Banded Trinket Snake
এরা নির্বিষ / Nonvenomous
Checkered Keelback Snake
বিষের ধরণ: সম্পূর্ণ নির্বিষ/Nonvenomous Colubridae পরিবারের সদস্য জলঢোঁড়া বাংলাদেশের অন্যতম পরিচিত একটি সাপ। সারা দেশেই কমবেশি এদের দেখতে পাওয়া যায়। অঞ্চলভেদে এদের জলঢোঁড়া, ঢোঁড়া, ধোরা, ডোরা, পাইন্যা সাপ ইত্যাদি নামে ডাকা হয়। এরা পুকুর, খাল, নদী অর্থাৎ জলজ পরিবেশে বাস করে।
Painted Keelback Snake
প্রচলিত নাম- অঞ্চলভেদে এদের কালোপেট ঢোঁড়া, কালো মেটে ঢোঁড়া, কেরাবেরা সাপ(নোয়াখালি), দুইরগা হাপ(কুমিল্লা), কেওড়া মোরা, রক্তবোড়া, খড়িচোঁচ, পোড়া সাপ,নাউডাঙা, জলপোড়া ইত্যাদি নামে ডাকা হয়। বিষের ধরন: সম্পূর্ণ নির্বিষ।
Bar Necked Keelback Snake
বাংলাদেশে সদ্য আবিস্কৃত হওয়া Bar-necked Keelback (Fowlea schnurrenbergeri), এখনো কোনো বাংলা নাম দেয়া হয়নি। কবে অনেকে দাগী জলঢোঁড়া সাপ ডেকে থাকেন।
Green Keelback Snake
Green Keelback (Rhabdophis plumbicolor) বা সবুজ ঢোঁড়া হচ্ছে Colubridae পরিবারের Rhabdophis গণের একটি নির্বিষ প্রজাতির সাপ। ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা এবং মায়ানমারে এদের দেখতে পাওয়া যায়।
Olive Keelback Snake
বিষের ধরণ: সম্পূর্ণ নির্বিষ Olive Keelback Colubridae পরিবারের। বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কা জুড়ে এদের বিস্তৃতি। আবাসস্থল: জলাশয় এবং এর আশেপাশের ঝোপঝাড়, ধানক্ষেতে এদের দেখতে পাওয়া যায়। গ্রীষ্ম ঋতু এদের নিদ্রাকাল।
Siebold's Keelback Snake
সাইবোল্ডের মাইটা সাপ বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত ( পাঞ্জাব, সিকিম, উত্তর প্রদেশ ), মিয়ানমার, নেপাল এবং পাকিস্তানে দেখতে পাওয়া যায়। এটি কলুব্রিডি পরিবারের অন্তর্ভুক্ত।
Himalayan Keelback
এটি ভারত এ হিমালয়ের অঞ্চলে, নেপাল, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ভূটান এবং চীনে দেখা যায়।
Cherrapunji Keelback
পাহাড়ি মাইটা সাপ
Venning's keelback
ভেনিং-এর মাইটা সাপ
Banded racer
বাংলাদেশের অন্যতম বিরল প্রজাতির নির্বিষ সাপ। অনেকে একে দাড়াশের সাথে গুলিয়ে ফেলে।তবে জুবেনাইল অবস্থায় এদের গায়ে দাগ দেখা গেলেও বড় হতে হতে দাগ গুলো ঝাপসা হতে থাকে। এদের নামের সাথে গতির অনেক মিল আছে।সাপ গুলো মাটিতে খুব দ্রুত চলাফেরা করতে পারে।
Indian Rock Python snake
মূলত অজগরের কয়েকটি প্রজাতির মধ্যে এই অজগরটি ভারত, শ্রীলঙ্কা, ভুটান, নেপাল ও পাকিস্তানে পাওয়া যায়। বাংলাদেশে মাঝেমধ্যে বন্যার পানিতে ভেসে আসে।
Reticulated Python snake
এটি pythonidae পরিবারের অন্তর্ভূক্ত। পুরু দেহ বিশিষ্ট বড়ো সাপ।দৈর্ঘ্য সচরাচর ৩-৬ মিটার ও সর্বোচ্চ ১০ মিটার।স্ত্রী সাপ বেশি লম্বা।সদ্যফোটা বাচ্চা ৬০-৭৫ সেমি।ওজন সচরাচর ৫০-৭৫ কেজি ও সর্বোচ্চ ১৫৯ কেজি হতে পারে।
Russell's sand boa snake
সম্পূর্ণ নির্বিষ সাপ। এর অন্য ইংরেজী নাম হচ্ছে Common Sand boa । Location:- দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ার বাংলাদেশ, ভারত, ইরান এবং পাকিস্তান। এদের প্রধান খাদ্য ইঁদুর এবং ইঁদুর জাতীয় ছোট স্তন্যপায়ী প্রাণী।
White-barred kukri snake
এর অন্য ইংরেজী নাম হচ্ছে Light-barred kukri snake
Cantor's kukri snake
প্রচলিত নাম নেই। বাংলাদেশের সবচেয়ে দুর্লভ সাপগুলোর মধ্যে একটি৷
Black-barred kukri snake
প্রচলিত নাম: ধুসর বঙ্গরাজ, সাধারণ কালো দাগওয়ালা বঙ্গ রাজ বা কালো দাগি উদয় কাল। ইংরেজি নাম: Ashy kukri snake, Gunther's kukri snake, Black barred kukri snake, golden kukri snake, Black cross barred kukri snake.
Bengalese kukri snake
সিলেট ও চট্টগ্রামের মিশ্র চির সবুজ বনে কিছু এলাকায় এদের পাওয়া যায়। ২য় ছবিটি শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার থেকে তোলা।
Russell's kukri snake
রাসেলের উদয় কাল সাপ
Mandalay kukri snake
মান্দালয় উদয় কাল সাপ
Red coral Kukri snake
এর প্রচলিত নাম এখনো পাওয়া যায়নি তবে অনুবাদকৃত নাম লাল প্রবাল কুকরি
Diard's blind snake
অন্যান্য নাম: দীর্ঘ দুমুখো সাপ, দীর্ঘ কৃমি সাপ, ইন্দোচীনা দুমুখো সাপ । এর নাম ডায়ার্ডের দুমুখো সাপ মূলত ফরাসি প্রকৃতিবিদ পিয়েরে-মেদার্দ ডায়ার্ড (Pierre-Médard Diard) এর সম্মানার্থে রাখা হয়েছে।
Jerdon’s Blind Snake
এর নাম জর্ডানের দুমুখো সাপ। ব্রিটিশ জীববিজ্ঞানী থমাস সি. জার্ডনের সম্মানে প্রজাতিটির নামকরণ করা হয়েছে।
Slender worm snake
অঞ্চল: আফ্রিকা এবং এশিয়ায় এদের আদি নিবাস। ভারতীয় উপমহাদেশ সহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে সহসা-ই এদের দেখতে পাওয়া যায়। তবে অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা এবং ওশেনিয়া সহ বিশ্বের অনেক অংশে এর বিভিন্ন প্রজাতি পাওয়া যায়। অর্থাৎ গ্রীষ্ণমন্ডলীয় দেশ গুলোতে এ সাপের বিস্তৃতি বেশি।
Assam snail eater snake
দেশের অন্যতম বিরল প্রজাতির নির্বিষ সাপ Assam snail eater সম্পর্কে প্রথম Theodoer E. Canton আসামের নাগা হিলস থেকে বর্ণনা করেন ১৮৩৯ সালে এবং সাপটির প্রধান খাদ্য শামুক তাই সাপটিকে ইংরেজিতে Assam snail eater বলা হয় , ইংরেজি নামের সাথে মিলিয়েই সাপটির বাংলা নাম রাখা হয় শামুকখোর সাপ বা
Yellow-bellied worm eating snake
কমলা-পেট কীট খাদক সাপ
Mountain worm eating snake
ছবি: ফেসবুক থেকে সংগৃহীত।
Collared Reed Snake
সাপটি এখনো বাংলাদেশের সাপের তালিকায় যুক্ত হয়নি। অথচ এর রেকর্ড ২০১৫ সালে।
Daudin’s Sea Snake
সাপটি মারাত্মক বিষধর।
Hook-Nosed / Beaked Sea Snake
Beaked Sea Snake মারাত্মক প্রাণঘাতী যার কয়েক ফোঁটা বিষ ৮-১০ জন মানুষকে মেরে ফেলার জন্য যথেষ্ঠ। এর বিষ অত্যন্ত শক্তিশালী নিউরোটক্সিন এবং মায়োটক্সিন দ্বারা গঠিত। সমস্ত সামুদ্রিক সাপের কামড়ের (90% পর্যন্ত) বেশিরভাগ মৃত্যুর জন্য দায়ী এটি ।
Annulated Sea Snake
কালো-হলুদ বলয় লাঠি সামুদ্রিক সাপ
Striped Sea Snake
ডোরা/লাঠি সামুদ্রিক সাপ
Shaw’s Sea Snake
বইঠা টেবি সামুদ্রিক সাপ
Yellow-lipped Sea Krait
হলুদ-মুখো সামুদ্রিক কেউটে
Black-banded Sea Krait
কালোবলয়ী সামুদ্রিক কেউটে
Cantor’s Narrow-headed Sea Snake
ক্যান্টরের ছোটমাথা সামুদ্রিক সাপ
Yellow-bellied Sea Snake
বাংলাদেশের সবচেয়ে বিষধর সাপ বাংলাদেশের সবচেয়ে বিষধর সাপ হলো Yellow bellied sea snake যা রঙিলা সামুদ্রিক সাপ নামে পরিচিত ৷ এটা পৃথিবীর চতুর্থ সবচেয়ে বিষধর সাপ ৷ অতীব বিষধর সাপটি গোখরা, কেউটের মতো Elapidae পরিবারের সদস্য এবং নিউরোটক্সিন বিষধারী ৷
Dwarf/Malacca Sea Snake
Malacca Sea Snake while exploring the Bay of Bengal
Arabian Gulf Sea snake
Arabian Gulf Sea snake / Persian gulf sea snake
Narrow-headed Sea Snake
এই প্রজাতির পুরুষ সাপ, স্ত্রী সাপের চেয়ে দৈর্ঘ্যে ছোট হয়। দৈর্ঘ্যে পুরুষরা সাধারণ ৯৫০ মিলিমিটার এবং স্ত্রীরা ১০২৫ মিলিমিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। লেজের দৈর্ঘ্য পুরুষদের ৮০ মিলিমিটার এবং স্ত্রীদের ৯৫ মিলিমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে। সাপটির মাথা ছোট, শরীর দীর্ঘ এবং অগ্রাংশ সরু।
Russell's Sea Snake
বাংলা নাম নেই
Estuarine Sea Snake
মোহনার লাঠি সাপ
Collared Sea Snake