
গোখরা (খৈয়া)
Naja naja
ফণায় চশমার মতো দাগ থাকে বলে এই নাম। ভারতীয় উপমহাদেশের সবচেয়ে পরিচিত বিষধর সাপ।
বাংলাদেশের সকল বিষধর ও নির্বিষ সাপের বিস্তারিত তথ্য, ছবি, এবং শনাক্তকরণ নির্দেশিকা।
মোট 17টি বিষধর প্রজাতি

Naja naja
ফণায় চশমার মতো দাগ থাকে বলে এই নাম। ভারতীয় উপমহাদেশের সবচেয়ে পরিচিত বিষধর সাপ।

Naja kaouthia
ফণায় একটি গোল দাগ (মনোকল/পদ্ম চিহ্ন) থাকে। বাংলাদেশে সাপে কামড়ের সবচেয়ে বেশি ঘটনা এই সাপের কারণে ঘটে।

Bungarus caeruleus
এদের দংশনে কোনো ব্যথা বা ফোলা থাকে না, তাই একে 'Silent Killer' বলা হয়।

Bungarus fasciatus
কালো ও হলুদ ডোরাকাটা সুন্দর কিন্তু অত্যন্ত বিষাক্ত সাপ।

Daboia russelii
এদের বিষে রক্ত জমাট বাঁধে না এবং টিস্যু পচে যায়।

Trimeresurus erythrurus
সুন্দর সবুজ রঙের গাছে বাসকারী সাপ।

Rhabdophis subminiatus
এটি আগে নির্বিষ ভাবা হতো, কিন্তু এখন প্রমাণিত যে এটি বিষাক্ত।

Bungarus walli
দক্ষিন এশিয়ার অন্যতম বিষধর সাপ Wall's Krait (Bungarus walli) আঞ্চলিক ভাবে এরা ভীমরাজ, কালাশ, কালি দাঁড়াশ,তে-শিরা ইত্যাদি নামে পরিচিত। পূর্বে এটিকে সিন্ধু কালাচ বা Sind Krait এর উপপ্রজাতি মনে করা হলেও, বর্তমানে এটা আলাদা প্রজাতি হিসেবে স্বীকৃত।

Bungarus lividus
বিষের ধরনঃ প্রাণঘাতী বিষধর, এদের বিষ মূলত Neurotoxin এবং এতে কিছুটা Mycotoxin এর উপস্থিতিও রয়েছে। Bungarus গণের সাপের বিষকে একত্রে Bungarotoxin বলা হয়। এ সাপের সাথে Greater black krait সাপ এর অনেক মিল।

Bungarus niger
বিষের ধরন: নিউরোটক্সিন(নার্ভ বিষ)।

Trimeresurus popeiorum
Viperidae পরিবারের দেশের সবচেয়ে বিরল প্রজাতির সাপ 'পপের লাল ফিতে সবুজ বোড়া'। পিট ভাইপার প্রজাতির এই সাপটির বিস্তার ভারত, বাংলাদেশ, নেপালসহ সাউথ-ইস্ট এশিয়ার দেশসমূহ। Pit Viper হেমোটক্সিন (Hemotoxin) সমৃদ্ধ বিষধর সাপ। হেমোটক্সিন রক্তের লোহিত রক্তকণিকা নষ্ট করে।

Ovophis monticola
৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ইং বান্দরবানে ক্রেওকাডং এ বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো পাহাড়িবোড়া (Mountain Pitviper, Ovophis monticola) এর অস্তিত্ব নিশ্চিত হওয়া গেছে। যদিও বাংলাদেশে এর উপস্থিতি নিয়ে অনেক আগে থেকেও অনেক ধোঁয়াশা ছিলো।

Sinomicrurus macclellandi
বিষের ধরনঃ- Neurotoxin.এর প্রভাবে নার্ভ ড্যামেজ হয়ে যায়। খাদ্য তালিকাঃ- ছোট সরীসৃপ, গিরগিটি,সাপ। বাসস্থান ও অঞ্চলঃ- বাংলাদেশ,ভারত,ভুটান,মায়ানমার, থাইল্যান্ড,ভিয়েতনাম,তাইওয়ান এইসব দেশে পাওয়া যায়।

Sinomicrurus gorei
আগে এটিকে MacClelland's Coral Snake এর একটি সাবস্পিসিজ হিসেবে মনে করা হলেও সর্বশেষ গবেষণায় এটি নতুন প্রজাতি হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। এটি উত্তর-পূর্ব ভারত এবং বাংলাদেশে পাওয়া যায়।

Rhabdophis helleri
আঞ্চলিক নাম:- হরিণ জৌরো আবাসস্থল/প্রাপ্তিস্থান:-বাংলাদেরশে চট্টগ্রাম, সিলেট,খাগড়াছড়ি, মৌলভীবাজার বান্দরবান, রাঙামাটি, নেত্রকোনা, ফেঞ্চুগঞ্জ এ পাওয়া যায়।এছাড়াও ইন্ডিয়া,ইন্দোনেশিয়া,থাইল্যান্ড, মায়ানমার, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ভুটান, নেপাল, চীন, লাওস, শবে কম্বোডিয়া এসব দেশে।

Rhabdophis bindi
'বিন্দি' নাম দেওয়া হয়েছে এর ঘাড়ের লাল দাগের কারণে, নারীদের কপালে পরা লাল টিপ / বিন্দির মতো দেখতে। এদের প্রধান খাদ্য ব্যাঙ, টিকটিকি, এ জাতীয় ছোট প্রাণী।

Calliophis melanurus
বিষের ধরনঃ- নিউরোটক্সিন। এর প্রভাবে নার্ভ ড্যামেজ হয়ে যায়। খাদ্য তালিকাঃ- পুঁয়ে সাপ,উইঁপোকা, পোকার ডিম,অন্যান্য ছোট সরীসৃপ। বাসস্থান ও অঞ্চলঃ- বাংলাদেশ,ভারত, শ্রীলংকায় দেখা যায়।