
অজগর
Python bivittatus
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সাপ। শিকারকে পেঁচিয়ে মারে।
বাংলাদেশের সকল বিষধর ও নির্বিষ সাপের বিস্তারিত তথ্য, ছবি, এবং শনাক্তকরণ নির্দেশিকা।
জানেন কি? নির্বিষ সাপ কৃষকের সবচেয়ে ভালো বন্ধু। এরা ইঁদুর ও ক্ষতিকর পোকামাকড় খেয়ে ফসল রক্ষা করে। তাই এদের মেরে ফেলবেন না, বরং রেসকিউ টিমকে কল করুন।
মোট 46টি নির্বিষ প্রজাতি

Python bivittatus
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সাপ। শিকারকে পেঁচিয়ে মারে।

Fowlea piscator
পুকুর বা জলাশয়ে বেশি দেখা যায়। মাছ খায়।

Ptyas mucosa
খুব দ্রুত ছুটতে পারে। কৃষকের বন্ধু বলা হয় কারণ এরা ইঁদুর খায়।

Dendrelaphis pictus
পিঠে তামার মতো রঙ থাকে। সরু, লম্বা গাছে বাসকারী সাপ।

Amphiesma stolatum
ছোট ও শান্ত প্রকৃতির সাপ। শরীরে হলুদ ডোরা থাকে।

Coelognathus radiatus
মাথা তামাটে রঙের। সুন্দর এবং নির্বিষ সাপ।

Lycodon aulicus
ঘরের ভেতরে প্রায়ই দেখা যায়। টিকটিকি খায়।

Eryx johnii
লেজ মাথার মতো দেখায় বলে এই নাম। আসলে একটাই মাথা।

Oligodon arnensis
দাঁত কুকরি ছুরির মতো বাঁকানো বলে এই নাম।

Indotyphlops braminus
কেঁচোর মতো দেখতে ছোট সাপ। চোখ প্রায় নেই।

Ptyas Korros
বিষের ধরন : সম্পুর্ন নির্বিষ (Non Venomous) খাদ্য তালিকা : ইন্দোচীনা দাঁড়াশ একটি Diurnal Snake অর্থাৎ এরা দিনে চলাচল অথবা শিকার করে । এদের প্রধান খাদ্য মূলত ইদুর তবে ইদুর ছাড়াও এরা ব্যাঙ, টিকটিকি , লিজার্ড সহ বিভিন্ন পোকা মাকড় খেয়ে থাকে ।

Ptyas nigromarginata
সম্পূর্ণ নির্বিষ সবুজ দাঁড়াশ অন্যতম বিরল ও সুন্দর একটি সাপ।

Lycodon jara
প্রচলিত নাম- চিতিবোড়া, চালচিতি, চালবোড়া ইত্যাদি। বিষের ধরন: নির্বিষ। Twin Spotted Wolf Snake / Yellow speckled wolf snake সারাদেশেই কমবেশি দেখতে পাওয়া যায়। খাদ্য তালিকা- প্রধান খাদ্য টিকটিকি। এছাড়া ছোট ব্যাঙ এবং আঁচিলা খেয়ে থাকে।

Lycodon zawi
প্রচলিত নাম- ঘরমনি, ঘরমোহিনী, চালচিতি ইত্যাদি। Zaw's Wolf Snake বনাঞ্চলগুলোতে দেখতে পাওয়া যায়। খাদ্য তালিকা- প্রধান খাদ্য টিকটিকি। এছাড়া ছোট ব্যাঙ এবং আঁচিলা খেয়ে থাকে। এরা পাইথনের মত চেপে ধরে শিকারকে হত্যা করে শিকার করে।

Dendrelaphis tristis
সম্পূর্ণ নির্বিষ বেত আঁচড়া দক্ষিণ এশিয়ার একটি কমন সাপ। বাংলাদেশের সর্বত্র একে দেখতে পাওয়া যায়৷ অঞ্চলভেদে একে বেত আঁচড়া, জিংলাপোড়া, বাঁশপাতালি, বাঁশুয়া সাপ, খড়কি সাপ, উড়ুক্কু সাপ, সুতানাল, সুতানলি সাপ, ফড়িঙে সাপ নামে ডাকা হয়।

Dendrelaphis proarchos
বিষের ধরন: সম্পূর্ণ নির্বিষ প্রচলিত নাম: অঞ্চলভেদে সুতানলি সাপ, বাঁশপাতালি, কঞ্চিয়া, জিংলাপোড়া, বাঁশুয়া সাপ, খড়কি সাপ, উড়ুক্কু সাপ, ফড়িঙে সাপ, পাতালত, উয়ো সাপ, উড়কাবাহা ইত্যাদি নামে ডাকা হয়।

Dendrelaphis cyanochloris
এর অপর ইংরেজী নাম হচ্ছে Green Bronzeback Tree Snake. এটি বাংলাদেশের অন্যতম দূর্লভ সাপেদের একটি। এরা অঞ্চলভেদে সুতানলি সাপ, বাঁশপাতালি, কঞ্চিয়া, জিংলাপোড়া ইত্যাদি নামে পরিচিত।

Coelognathus helena
প্রচলিত নামঃ-পঙ্ক্ষিরাজ, দুধরাজ,পাতি দুধরাজ ইত্যাদি। খাদ্য তালিকাঃ- প্রধান খাদ্য ইঁদুর ,এছাড়াও ব্যাঙ, অন্যান্য ছোট স্তন্যপায়ী প্রাণী, পোকামাকড়, গিরগিটি এবং টিকটিকি খায়। অঞ্চলঃ- বাংলাদেশের সব অঞ্চলেই এদের কম বেশী পাওয়া যায়,উত্তরাঞ্চলে বেশি পাওয়া যায়।

Oreocryptophis porphyraceus
এরা নির্বিষ / Nonvenomous

Xenochrophis piscator
বিষের ধরণ: সম্পূর্ণ নির্বিষ/Nonvenomous Colubridae পরিবারের সদস্য জলঢোঁড়া বাংলাদেশের অন্যতম পরিচিত একটি সাপ। সারা দেশেই কমবেশি এদের দেখতে পাওয়া যায়। অঞ্চলভেদে এদের জলঢোঁড়া, ঢোঁড়া, ধোরা, ডোরা, পাইন্যা সাপ ইত্যাদি নামে ডাকা হয়। এরা পুকুর, খাল, নদী অর্থাৎ জলজ পরিবেশে বাস করে।

Xenochrophis cerasogaster
প্রচলিত নাম- অঞ্চলভেদে এদের কালোপেট ঢোঁড়া, কালো মেটে ঢোঁড়া, কেরাবেরা সাপ(নোয়াখালি), দুইরগা হাপ(কুমিল্লা), কেওড়া মোরা, রক্তবোড়া, খড়িচোঁচ, পোড়া সাপ,নাউডাঙা, জলপোড়া ইত্যাদি নামে ডাকা হয়। বিষের ধরন: সম্পূর্ণ নির্বিষ।

Fowlea schnurrenbergeri
বাংলাদেশে সদ্য আবিস্কৃত হওয়া Bar-necked Keelback (Fowlea schnurrenbergeri), এখনো কোনো বাংলা নাম দেয়া হয়নি। কবে অনেকে দাগী জলঢোঁড়া সাপ ডেকে থাকেন।

Rhabdophis plumbicolor
Green Keelback (Rhabdophis plumbicolor) বা সবুজ ঢোঁড়া হচ্ছে Colubridae পরিবারের Rhabdophis গণের একটি নির্বিষ প্রজাতির সাপ। ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা এবং মায়ানমারে এদের দেখতে পাওয়া যায়।

Atretium schistosum
বিষের ধরণ: সম্পূর্ণ নির্বিষ Olive Keelback Colubridae পরিবারের। বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কা জুড়ে এদের বিস্তৃতি। আবাসস্থল: জলাশয় এবং এর আশেপাশের ঝোপঝাড়, ধানক্ষেতে এদের দেখতে পাওয়া যায়। গ্রীষ্ম ঋতু এদের নিদ্রাকাল।

Amphiesma sieboldii
সাইবোল্ডের মাইটা সাপ বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত ( পাঞ্জাব, সিকিম, উত্তর প্রদেশ ), মিয়ানমার, নেপাল এবং পাকিস্তানে দেখতে পাওয়া যায়। এটি কলুব্রিডি পরিবারের অন্তর্ভুক্ত।

Amphiesma platyceps
এটি ভারত এ হিমালয়ের অঞ্চলে, নেপাল, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ভূটান এবং চীনে দেখা যায়।

Herpetoreas xenura
পাহাড়ি মাইটা সাপ

Amphiesma venningi
ভেনিং-এর মাইটা সাপ

Platyceps plinii
বাংলাদেশের অন্যতম বিরল প্রজাতির নির্বিষ সাপ। অনেকে একে দাড়াশের সাথে গুলিয়ে ফেলে।তবে জুবেনাইল অবস্থায় এদের গায়ে দাগ দেখা গেলেও বড় হতে হতে দাগ গুলো ঝাপসা হতে থাকে। এদের নামের সাথে গতির অনেক মিল আছে।সাপ গুলো মাটিতে খুব দ্রুত চলাফেরা করতে পারে।

Python Molurus
মূলত অজগরের কয়েকটি প্রজাতির মধ্যে এই অজগরটি ভারত, শ্রীলঙ্কা, ভুটান, নেপাল ও পাকিস্তানে পাওয়া যায়। বাংলাদেশে মাঝেমধ্যে বন্যার পানিতে ভেসে আসে।

Python reticulatus
এটি pythonidae পরিবারের অন্তর্ভূক্ত। পুরু দেহ বিশিষ্ট বড়ো সাপ।দৈর্ঘ্য সচরাচর ৩-৬ মিটার ও সর্বোচ্চ ১০ মিটার।স্ত্রী সাপ বেশি লম্বা।সদ্যফোটা বাচ্চা ৬০-৭৫ সেমি।ওজন সচরাচর ৫০-৭৫ কেজি ও সর্বোচ্চ ১৫৯ কেজি হতে পারে।

Gongylophis conicus
সম্পূর্ণ নির্বিষ সাপ। এর অন্য ইংরেজী নাম হচ্ছে Common Sand boa । Location:- দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ার বাংলাদেশ, ভারত, ইরান এবং পাকিস্তান। এদের প্রধান খাদ্য ইঁদুর এবং ইঁদুর জাতীয় ছোট স্তন্যপায়ী প্রাণী।

Oligodon albocinctus
এর অন্য ইংরেজী নাম হচ্ছে Light-barred kukri snake

Oligodon cyclurus
প্রচলিত নাম নেই। বাংলাদেশের সবচেয়ে দুর্লভ সাপগুলোর মধ্যে একটি৷

Oligodon cinereus
প্রচলিত নাম: ধুসর বঙ্গরাজ, সাধারণ কালো দাগওয়ালা বঙ্গ রাজ বা কালো দাগি উদয় কাল। ইংরেজি নাম: Ashy kukri snake, Gunther's kukri snake, Black barred kukri snake, golden kukri snake, Black cross barred kukri snake.

Oligodon dorsalis
সিলেট ও চট্টগ্রামের মিশ্র চির সবুজ বনে কিছু এলাকায় এদের পাওয়া যায়। ২য় ছবিটি শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার থেকে তোলা।

Oligodon taeniolatis
রাসেলের উদয় কাল সাপ

Oligodon Theobaldi
মান্দালয় উদয় কাল সাপ

Oligodon kheriensis
এর প্রচলিত নাম এখনো পাওয়া যায়নি তবে অনুবাদকৃত নাম লাল প্রবাল কুকরি

Typhlops diardii
অন্যান্য নাম: দীর্ঘ দুমুখো সাপ, দীর্ঘ কৃমি সাপ, ইন্দোচীনা দুমুখো সাপ । এর নাম ডায়ার্ডের দুমুখো সাপ মূলত ফরাসি প্রকৃতিবিদ পিয়েরে-মেদার্দ ডায়ার্ড (Pierre-Médard Diard) এর সম্মানার্থে রাখা হয়েছে।

Indotyphlops jerdoni
এর নাম জর্ডানের দুমুখো সাপ। ব্রিটিশ জীববিজ্ঞানী থমাস সি. জার্ডনের সম্মানে প্রজাতিটির নামকরণ করা হয়েছে।

Typhlops porrectus
অঞ্চল: আফ্রিকা এবং এশিয়ায় এদের আদি নিবাস। ভারতীয় উপমহাদেশ সহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে সহসা-ই এদের দেখতে পাওয়া যায়। তবে অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা এবং ওশেনিয়া সহ বিশ্বের অনেক অংশে এর বিভিন্ন প্রজাতি পাওয়া যায়। অর্থাৎ গ্রীষ্ণমন্ডলীয় দেশ গুলোতে এ সাপের বিস্তৃতি বেশি।

Pareas monticola
দেশের অন্যতম বিরল প্রজাতির নির্বিষ সাপ Assam snail eater সম্পর্কে প্রথম Theodoer E. Canton আসামের নাগা হিলস থেকে বর্ণনা করেন ১৮৩৯ সালে এবং সাপটির প্রধান খাদ্য শামুক তাই সাপটিকে ইংরেজিতে Assam snail eater বলা হয় , ইংরেজি নামের সাথে মিলিয়েই সাপটির বাংলা নাম রাখা হয় শামুকখোর সাপ বা

Trachischium tenuiceps
কমলা-পেট কীট খাদক সাপ

Trachischium monticola
ছবি: ফেসবুক থেকে সংগৃহীত।

Calamaria pavimentata
সাপটি এখনো বাংলাদেশের সাপের তালিকায় যুক্ত হয়নি। অথচ এর রেকর্ড ২০১৫ সালে।